Header Border

ঢাকা, রবিবার, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১লা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল) ৩৫.৯৬°সে

‘বাংলার বস’কে টেক্কা দেবে কোন ষাঁড়?

সময় সংবাদ লাইভ রিপোর্ট : খামারি আসমত আলী গাইন শখ করে গরুর নাম রেখেছেন ‘বাংলার বস’। বস কিন্তু দেখতে বসের মতোই। প্রায় ৬৫ মণ ওজনের এই ষাঁড়ের দাম হাকিয়েছেন ৫০ লাখ টাকা। আসমত আলীর দাবি, এখন পর্যন্ত দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু ‘বাংলার বস’। তার বসকে টেক্কা দেওয়ার মতো ষাঁড় সারা বাংলাদেশেও নেই। ব্যাপারীরা ইতোমধ্যে ৩০ লাখ টাকা দাম বললেও তিনি এখনো ৫০ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন। এই খামারির ‘বাংলার সম্রাট নামে আরও একটি গরু আছে, সেটাও দেখার মতো।

খামারি আসমত আলী গাইন যশোরের মনিরামপুর উপজেলার হুরগাতি গ্রামের মৃত রজবালী গাইনের ছেলে। গত ২৫ বছর ধরে তিনি ‘মীম ডেইরি ফার্ম’ নামে গাভী পালন করে আসছিলেন। শখের বশে তিনটি উন্নত জাতের এঁড়ে গরু কিনে সুষম খাদ্য, উপযুক্ত চিকিৎসা, নিয়মিত পরিচর্যা করে সফল হয়েছেন।

সরেজমিন হুরগাতি গ্রামে আসমতের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নারী-পুরুষের ভিড় চোখে পড়ে। এগিয়ে যেতেই জানা যায় উৎসুক জনতা আসমতের গরু দেখতে এসেছেন। খামারি আসমত আলী গাইন জানান, ‘বাংলার বস’ নামের ষাঁড়টি ব্রিটিশ ফ্রিজিয়ান জাতের। গত বছরের কোরবানির ঈদের কয়েকদিন আগে যশোরের নিউমার্কেট এলাকার হাইকোর্ট মোড়ের এক ব্যাপারীর কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকায় কিনেন। আর ‘বাংলার সম্রাট কেনেন আট লাখ টাকায়। দানাদার ও তরল খাদ্য হিসেবে খৈল, গম, ভুট্টা, বুট ও ছোলার ভুষি, চিটাগুড়, ভিজানো চাল, খুদের ভাত, খড়, নেপিয়ার ঘাস ও কুড়া মিলে দিনে দুবার মোট ৮০ থেকে ৯৫ কেজি খাদ্য খাওয়ানো হয়।

এ ছাড়া তিনি প্রশিক্ষণ নেওয়ায় নিজেই তার গরুর চিকিৎসা দেন। এ সময় আসমত আলী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, আমি নিশ্চিত আমার ‘বাংলার বস’ দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু। এর ওজন এখন ২৬শ কেজি অর্থাৎ প্রায় ৬৫ মণ। এ ওজনের ষাঁড় এর আগে বাংলাদেশে কখনো হয়েছে কি না সন্দেহ। আসমত ক্ষোভের সঙ্গে আরও বলেন, এ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ অফিসের কোনো সহযোগিতা পাইনি। এমনকি কোনো দিন অফিসের কেউ খামার পরিদর্শনেও আসেনি।

পার্শ্ববর্তী উপজেলা অভয়নগরের সাইফুল ইসলাম বলেন, এক প্রতিবেশীর কাছ থেকে শুনে গরু দেখতে এসেছি। এমন হাতির মতো গরু জীবনে কখনো দেখিনি।

ভোজগাতি গ্রামের সালাম বিশ্বাস বলেন, আমার ৮০ বছর বয়সে এত বড় গরু দেখিনি। একই কথা জানান, গরু দেখতে আসা উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামের শাহেরা বেগম, জয়পুর গ্রামের আকতার আলী।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবুজার সিদ্দিকী বলেন, এমন বড় গরুর বিষয়ে তিনি শুনেছেন। তিনি না যেতে পারলেও অফিসের লোকজনের সঙ্গে খামারির নিয়মিত যোগাযোগ হয় বলে তিনি দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

ঈদ জামাত কোথায় কখন
‘পৃথিবীর কোনো শক্তিই আমাদের বিরত রাখতে পারবে না’-নেতানিয়াহু
দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, বৃহস্পতিবার ঈদ
রাজউকের নতুন চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল(অব.)সিদ্দিকুর রহমান
 মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্টুডেন্টস’ ফোরামের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
চালের দাম বাড়ছে : সবজির দাম কমলেও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি

আরও খবর