Header Border

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ৩০.৯৬°সে

আমাদের একজন মহানায়ক ছিলেন

সময় সংবাদ লাইভ রিপোর্ট: সত্তর-আশির দশকে যে কজন সুদর্শন নায়ক বাঙালি দর্শকের মন জয় করেছেন, তরুণীদের স্বপ্নের পুরুষ হয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম বুলবুল আহমেদ। তিনিই ঢালিউডের প্রথম ‘মহানায়ক’। এমনকি ‘দেবদাস’ও। গুণী এই অভিনেতার চলে যাওয়ার ১০ বছর আজ। ২০১৫ সালে তার নামে ‘বুলবুল আহমেদ ফাউন্ডেশন’ গড়ে তোলা হয়। এই ফাউন্ডেশন থেকে চতুর্থবারের মতো এবার সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। এ বছর সম্মাননা পাচ্ছেন প্রবীণ অভিনেত্রী মীরানা জামান। এর আগে এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন অভিনেতা নাজমুল হুদা বাচ্চু, কেরামত মওলা এবং এটিএম শামসুজ্জামান।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের সাড়া জাগানো নায়ক বুলবুল আহমেদের জন্ম ১৯৪১ সালে পুরান ঢাকায়। দারুণ মেধাবী ছিলেন তিনি। পড়াশোনা করেছেন ঢাকার কলেজিয়েট স্কুল, নটর ডেম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়াশোনার পাট চুকিয়ে তিনি একটি ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন। চাকরির পাশাপাশি শুরু করেন টিভিতে অভিনয়। বুলবুল আহমেদ অভিনীত প্রথম টিভি নাটক ছিল আবদুল্লাহ আল-মামুনের পরিচালনায় ‘বরফ গলা নদী’। এ ছাড়া তার উল্লেখযোগ্য টিভি নাটকগুলো হচ্ছে ‘মালঞ্চ’, ‘ইডিয়েট’, ‘মাল্যদান’, ‘বড়দিদি’, ‘আরেক ফাল্গুন’, ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’। ধারাবাহিক ও খ- নাটক মিলিয়ে চার শতাধিক নাটকে তিনি অভিনয় করেছেন। বুলবুল আহমেদ অভিনীত সর্বশেষ টিভি নাটক ছিল ২০০৯ সালে শুটিং করা ‘বাবার বাড়ি’। ১৯৭৩ সালে আবদুল্লাহ ইউসুফ ইমামের (ইউসুফ জহির) ‘ইয়ে করে বিয়ে’র মাধ্যমে প্রথম বড়পর্দায় অভিনয় শুরু করেন তিনি। এর পরের বছর আবদুল্লাহ আল-মামুনের ‘অঙ্গীকার’ ছবিতে অভিনয় করেন। দুটি চলচ্চিত্র সে সময় দারুণ হিট হয়। তবে বুলবুল আহমেদ ঢাকাই সিনেমার দর্শকের কাছে চিরদিন শ্রদ্ধেয় হয়ে থাকবেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি দুই চরিত্র ‘শ্রীকান্ত’ ও ‘দেবদাস’-এ দুর্দান্ত রূপদান করে। ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’ ও ‘দেবদাস’ এই দুটি ছবি দিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছিলেন সব শ্রেণির দর্শকের অন্তরে। এ ছাড়া ‘মহানায়ক’, ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘সূর্যকন্যা’ ছবিগুলোয় বুলবুল আহমেদ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন অনন্য উচ্চতায়।

অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালক হিসেবে সফলতা পেয়েছেন বুলবুল আহমেদ। তার পরিচালিত ‘ওয়াদা’, ‘মহানায়ক’, ‘ভালো মানুষ’, ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’, ‘আকর্ষণ’, ‘গরম হাওয়া’, ‘কত যে আপন’ ছবিগুলো আলোচিত হয়েছে। অভিনয়ের জন্য বুলবুল আহমেদ চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৭ সালে ‘সীমানা পেরিয়ে’, ১৯৭৮ সালে ‘বধু বিদায়’, ১৯৮০ সালে ‘শেষ উত্তর’ ও ‘১৯৮৭ সালে ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’ ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে নেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

হজে গিয়ে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যু
কর ও ভ্যাটের চাপ আরও বাড়বে
ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলা হিজবুল্লাহর
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে সব দেশের প্রতি আহ্বান জাতিসংঘের
মোদি না রাহুল, কে হচ্ছেন ভারতের কান্ডারি?
ঢাকার কাছেই চলে এসেছে সবচেয়ে বিষধর রাসেলস ভাইপার

আরও খবর