Header Border

ঢাকা, সোমবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল) ২৮.৯৬°সে

বেড়িবাঁধ ভেঙে খুলনার বিশাল জনগোষ্ঠী নোনাপানিতে নিমজ্জিত

*সময় সংবাদ লাইভ রির্পোটঃ উপকূলীয় জেলা খুলনার কয়রা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের কয়েকটি পোল্ডারে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস’র প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে বিশাল জনগোষ্ঠী নোনা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। দাকোপের একাধিকস্থানে নদী ভাঙন ও পানি উপচে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জনগোষ্ঠী। এছাড়া পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়নে নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙন ও পৌরসভা সদরে অতিরিক্ত জোয়ারে পানিবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উপচেপড়া নদীর পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের জলোচ্ছ্বাসে কয়রা উপজেলার ৬ টি পয়েন্টের পাউবের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে মৎস্য ঘের তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি, ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি বন্দি অবস্থায় মানুষ সিমাহীন কষ্টের মধ্যে দিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সাগর হোসেন সৈকত বলেন, কয়রায় ইয়াসের তান্ডবে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের সব এলাকায় কমবেশি ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকায় ঘর ভেঙে পড়েছে। অনেক এলাকায় ঘর আংশিক ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের সংখ্যা ৭ হাজার। এর মধ্যে ৫০টি ঘর সম্পূর্ণ ১২শ ঘরবাড়ি আংশিক ও ৫৮শ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সকল এলাকার মানুষ এখনও পানিবন্দী অবস্থায় দিন যাপন করছে। এর ফলে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা মৎস্য অফিসার এস এম আলউদ্দিন আহমেদ বলেন, ইয়াসের জলোচ্ছাসে কয়রা উপজেলায় ২১শ মৎস্য ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া অসংখ্য মাছের পুকুর ডুবে গেছে। মৎস্যখাতে প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাউবোর বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কৃষির ব্যাপক ফসল নষ্ট হয়েছে। গবাদি পশুর ক্ষয়ক্ষতি হওয়র খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মেডিকেল টিম স্বাস্থ্য সেবায় কাজ করছে। কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোহাঃ হুমায়ুন কবির বলেন, ভেঙে যাওয়া বাঁধের মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ির পবনা, দশহালিয়া ও উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের গাতির গেরি বাঁধ এখনও বাঁধা সম্ভব হয়নি। তবে দক্ষিন বেদকাশি ও মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ কোন রকম বাঁধতে সম্ভব হয়েছে। তবে এসকল বাঁধে জরুরী ভিত্তিতী কাজ করা প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস বলেন,বাঁধ বাঁধার কাজ চলছে। ইতিমধেও অনেক বাঁধ মেরামত করা সম্ভব হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতা করা হবে।

কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, দক্ষিণ বেদকাশী ও মহারাজপুর ইউনিয়নে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ দ্রুত সময়ের মধ্য আটকানো হবে। যে সমস্ত এলাকায় ওভারফ্লো হয়ে জোয়ারের পানি ভিতরে প্রবেশ করেছে সেগুলো মেরামত করা হবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উপজেলার কামিনিবাসীয়ায় ভেঙে গেছে বাঁধ। জোয়ারের তোড়ে বাঁধ ছাপিয়ে চালনা পৌর সদরসহ বেশ কিছু এলাকায় পানি ঢুকে বসত ভিটে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিমজ্জিত হয়েছে। উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে। এলাকাবাসী এই বিপর্যয়ের জন্য পাউবো’র উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন। স্থানীয় নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ার অপেক্ষা আনুমানিক তিন ফুট পানি বৃদ্ধি পায়। চারিপাশে নদী বেষ্টিত উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও চালনা পৌর এলাকার ১০/১২টি স্থানে ওয়াপদা বাঁধ ছাপিয়ে প্রত্যন্ত এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ঢাকী নদীর পানির চাপে তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের কামিনিবাসিয়া সোনার বাংলা কলেজ এলাকার বেড়িবাঁধ বুধবার দুপুরের জোয়ারে ভেঙে যায়। ফলে তিলডাঙ্গা ইউনিয়নসহ ৩১নং পোল্ডার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার কালাবগী, নলিয়ান, সুতারখালী, বটবুনিয়া বাজার, ঝালবুনিয়া, পানখালী জাবেরের খেয়াঘাট, পানখালী পুরাতন ফেরীঘাট, খোনা, লক্ষিখোলা পিচের মাথা, চালনা পৌরসভার গোড়কাটি এবং খলিষা এলাকার বাঁধ ছাপিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে যায়। এর মধ্যে গোড়কাটি, পুরাতন ফেরীঘাটসহ বেশ কয়েকটি এলাকার বেড়িবাঁধ অত্যন্ত ঝুঁকির মুখে আছে। কালাবগী ফকির কোনা, ঝুলনপাড়া, নলিয়ান বাজার, পানখালী জাবেরের খেয়াঘাট, চালনা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডসহ বেশ কিছু এলাকায় ওয়াপদা বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী প্রায় ৫ হাজার মানুষ পানিতে পুরোপুরি নিমজ্জিত।

দাকোপ উপজেলার কামিনিবাসিয়া এবং পানখালী এলাকায় প্রায় আটশ’ শ্রমিক কাজ করছে। এ ছাড়া অন্যান্য এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষার জন্য প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চলমান পরিস্থিতিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড কিছু জিও ব্যাগ দিয়ে দ্বায় সেরেছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড দীর্ঘদিন ঝুঁকিতে থাকা এ সকল বাঁধ নির্মাণে এগিয়ে না আসায় এ অবস্থা। চলমান পরিস্থিতির জন্য তাদের উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন তারা। এ ব্যাপারে পাউবোর দায়িত্বশীল পর্যায়ের গতানুগতিক উত্তর বরাদ্দ না থাকায় তাদের করণীয় কিছুই ছিল না।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ও পূর্ণিমার জোয়ারে নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পৌরসদরের পৌরবাজার সম্পূর্ণ পানিতে নিমজ্জিত। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অধিকাংশ ওয়াপদার বেড়িবাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। তবে ঠিক কি পরিমাণের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পরিমাণ করা এখনও সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। উপজেলার বিভিন্ন আশ্রায়ন কেন্দ্রেগুলোতে প্রায় ২০০ জন লোক আশ্রয় নিয়েছে। জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ও পূর্ণিমার অস্বাভাবিক জোয়ারে বুধবার সকালের দিকে পাইকগাছা পৌরসদরের বাজার সম্পূর্ণ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়। বাজারের কাঁচামালের পট্টি, সোনা পট্টি, কাপড়ের পট্টি, কাঁকড়া পট্টি, মাছ বাজারসহ পৌর বাজারের সকল রাস্তা পানিতে তলিয়ে যায়। বিভিন্ন দোকানে পানি উঠে যায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে দোকান মালিকসহ ক্রেতা সাধারণ। বিকেল তিনটার দিকে নদীতে ভাটা এলে আস্তে আস্তে পানি সরে যায়। উপজেলার কপিলমুনির আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন পদ্মপুকুর এলাকায় বাঁধ, দেলুটির চকরিবকরি, গেয়ুবুনিয়া, মধুখালী, পারমধুখালী, রাড়–লীর মালোপাড়র বাঁধ ভেঙে এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়াপদার বাঁধ উপচে এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে।

গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস জানিয়েছেন, ইউনিয়নের কুমখালীর (খুদখালী) ফকির বাড়ির সামনে ১০/১২ নং পোল্ডারের শান্তা স্লুইচ গেটে সংলগ্ন ও গাংরখি নদীর গেটের দুইপাশে ভাঙনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। কর্মসৃজন কর্মসূচির লোক দিয়ে বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে।

দেলুটি’র ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল জানিয়েছেন, ইউনিয়নের চকরিবকরি, গেয়ুবুনিয়া, মধুখালী, পারমধুখালীর বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এছাড়া জিরবুনিয়ার চৌমূহনী, দেলুটির শিবসা নদীর পাশে, ২২নং পোল্ডারের দারুণ মল্লিক, কালীনগর, তেলেখালি, দুর্গাপুর ও বিগরদানার বাঁধ উপচে এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে।

লতা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস জানিয়েছেন, ইউনিয়নের ধলাই এলাকার বাঁধ উপচে পানি ঢুকছে এলাকায়। এছাড়া লতা গ্রামের বাঁধ ভেঙে গেছে। সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান গাজী জানান, সোলাদানা ইউনিয়নের ২৩নং পোল্ডারের পাটকেলপোতা, আমুরকাটা স্লুইচ গেট, বাসাখালী ও পতন, বেতবুনিয়া ও সোলাদানার আবাসন এলাকার বাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে।

রাড়–লী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ গোলদার জানান, ইউনিয়নের ৯নং পোল্ডারের মালোপাড়া ও ভড়ভুড়িয়ার গেট এলাকার ১ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে দুপুরের কপোতাক্ষ নদের জোয়ারের পানি উপচে মালোপাড়া তলিয়ে যায়।

কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার জানিয়েছেন, মঙ্গলবারে রাতের জোয়ারে আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন পদ্মপুকুর এলাকার বাঁধ ভেঙে ৪০/৫০টি বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে মৎস্য ঘের। বুধবার সকালের দিকে জোয়ারের পানি কিছুটা কমলে বাঁধ দেয়ার চেষ্টা করেও পুনরায় নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বাঁধ দেয়া সম্ভব হয়নি বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানিয়েছেন, উপজেলার কয়েকটি স্থানে বাঁধ ভেঙে ও ওয়াপদার বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। তবে এতে কি পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাহা সঠিকভাবে এখনও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি বলে উপজেলার প্রধান এ কর্তা জানিয়েছেন।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ডুমুরিয়ায় প্রচন্ড আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে জোয়ারের পানি। চরাঞ্চল ও নদীর তীরের রক্ষাবাঁধগুলো রয়েছে হুমকির মুখে। পানির প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা হয়েছে নিমর্জ্জিত।

জানা গেছে, উপজেলার অভ্যন্তরীন নদীগুলোতে অস্বাভাবিক হারে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার প্রভাবে হুমকিতে রয়েছে সাহস ইউনিয়নের লতাবুনিয়া বাশতলা, চটচটিয়া, শোভনা ইউনিয়নের বাগআঁচড়া বাদুরগাছা, কদমতলা, বারুইকাঠি, পাতিবুনিয়া, জিয়ালতলা, ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের আবাসন, জাবড়া, তেলিখালি, ধানিবুনিয়া বকুলতলা, শরাফপুর ইউনিয়নের চাঁদগড় জালিয়াখালী, আসাননগর, মাগুরখালীর শিবনগর, খোরেরাবাদ, আটলিয়ার বরাতিয়া, কুলবাড়িয়া, খর্ণিয়ার রাজার সংলগ্ন এলাকা ও রানাই গ্রাম অঞ্চল, রুদাঘরার শোলগাতিয়া, চহেড়ার গেট ও ডুমুরিয়া সদরের ট্রলারঘাট এলাকা। এরমধ্যে উপজেলা সদরের আইতলা জেলেপল্লী, ট্রলারঘাট এলাকায় জোয়ারের পানি ওঠানামা করছে।

ইউপি সদস্য শেখ মাহাবুর রহমান বলেন, গত ২/৩ দিন ধরে নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় লোকজন নিয়ে বাঁধ দিয়ে কোন রকমে পানি আটকাতে পেরেছি। তবে পারাপারের জন্য বাঁশের শাকোটি পানির তোড়ে ভেসে গেছে। শোভনার বাদুরগাছা-বাগআঁচড়া নিয়ে ইউপি সদস্য দেবব্রত সরদার বলেন, এখানকার রক্ষাবাঁধের অবস্থা খুবই খারাপ। যেকোন সময় বাঁধ ভেসে যেতে পারে।

শরাফপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রবিউল ইসলাম রবি বলেন, ইউনিয়নের চাঁদগড়, জালিয়াখালি, বৃত্তিবিড়ালা, আসাননগর এলাকার অবস্থা মোটেই ভালো না। বাঁধ ছুঁই ছুঁই জোয়ারের পানি।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ইয়াসের প্রভাবে ডুমুরিয়া উপজেলার কোথাও তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে উপজেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে জোয়ারের পানির প্রচন্ড চাপ।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

ঈদ জামাত কোথায় কখন
‘পৃথিবীর কোনো শক্তিই আমাদের বিরত রাখতে পারবে না’-নেতানিয়াহু
দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, বৃহস্পতিবার ঈদ
রাজউকের নতুন চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল(অব.)সিদ্দিকুর রহমান
 মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্টুডেন্টস’ ফোরামের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
চালের দাম বাড়ছে : সবজির দাম কমলেও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি

আরও খবর