Header Border

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল) ২০.৯৬°সে

জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হলো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

সময় সংবাদ রিপোর্টঃঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সাধারণ মানুষদের জন্য খুলে দেয়া হলো। আজ রোববার ভোর ৬টায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়।এর আগে শনিবার এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই ধাপে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিমানবন্দর (কাওলা) থেকে ফার্মগেট অংশ মোাট সাড়ে ১১ কিলোমিটার দূরত্বের পথটি উদ্বোধন করেন তিনি।

তীব্র যানজটকে পাশ কাটিয়ে কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত মাত্র ১২ মিনিটে পৌঁছতে পারবেন যাত্রীরা। মূল এক্সপ্রেসওয়েতে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার এবং র‌্যাম্পে ৪০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চলতে পারবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, প্রথম ধাপে ফার্মগেট পর্যন্ত চালু হলেও আগামী জুনে দ্বিতীয় ধাপে মালিবাগ, খিলগাঁও, কমলাপুর হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত বাকি অংশ চালুর কথা রয়েছে। তখন এক্সপ্রেসওয়ের পুরোপুরি সুবিধা পাবেন নগরবাসী। ফলে বাঁচবে যাতায়াতের সময়, কমবে দুর্ভোগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, উদ্বোধনের পর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলেও এতে সবাই চলাচল করতে পারবে না। পথচারী, মোটরসাইকেল, থ্রি-হুইলার, রিকশা, অটোরিকশাসহ তিন চাকার গাড়ি এতে উঠতে পারবে না। এক্সপ্রেসওয়েতে কেবলমাত্র চলতে চার চাকা কিংবা এর অধিক চাকার বাস, ট্রাক ও প্রাইভেট কার। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভও রয়েছে।

এজন্য ওইসব গাড়িকে নির্দিষ্ট হারে টোল গুণতে হবে। চার ক্যাটাগরিতে টোল আদায় হবে। ১৬ সিটের কম প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও তিন টনের কম হালকা ট্রাককে ৮০ টাকা, বাস ও মিনিবাস (১৬ সিট বা তার বেশি) ১৬০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৬ চাকা পর্যন্ত) ৩২০ টাকা এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে (৬ চাকার বেশি) চার শ’ টাকা টোল দিতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে নির্মাণ করা হচ্ছে। এ কারণে টোলের টাকা থেকে নির্মাণ ব্যয় তোলা হবে।

এক্সপ্রেসওয়েতে দ্রুতগতিতে ও নিরাপদে যাতে গাড়ি চলাচল করতে পারে, সেজন্য দুই ও তিন চাকার গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা এলিভিটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক এএইচএমএস আকতার।

বর্তমানে মূল এক্সপ্রেসওয়ে ৬০ কিলোমিটার গতিতে বিরতিহীনভাবে গাড়ি চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, দুই ও তিন চাকার গাড়ি চলাচলের সুযোগ দেয়া হলে দ্রুতগতিতে অন্যান্য গাড়ি চলতে পারবে না। মিশ্র গাড়ি চলাচলের কারণে দুর্ঘটনা ঘটবে। ওই আশঙ্কা থেকে দুই ও তিন চাকার গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। মানুষ অভ্যস্ত হয়ে গেলে ৮০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।

তবে যেসব স্থানে গাড়ি নামবে, সেসব পয়েন্টে যানজটের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

উল্লেখ্য, এ প্রকল্পের প্রথম চুক্তি সই করা হয় ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি। ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদি প্রকল্পের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ১৫ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে সংশোধিত চুক্তি সই করে। থাইল্যান্ড-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইটালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রকল্পটিতে। তাছাড়া চায়না-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান শোনডং ইন্টারন্যাশনাল ইকোনোমিক গ্র্যান্ড টেকনিক্যাল কো-অপারেশন গ্রুপ ৩৪ শতাংশ ও সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড ১৫ শতাংশ যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে এ প্রকল্পটি। প্রকল্পের মূল দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিমক ৭৬ কিলোমিটার। আর র‍্যাম্পসহ মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

টঙ্গীতে মার্কেট ভবনের গুদামে আগুন,ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
রোজা ঘিরে ভোক্তার দুশ্চিন্তা বাড়ছে
ফের বাড়ছে বিদ্যুতের দাম, ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০ পয়সা
বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম বৃদ্ধি হবে ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’: রিজভী
ওষুধের দামে নাভিশ্বাস
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

আরও খবর