Header Border

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ২৮.৯৬°সে

দুই সিটি করপোরেশনের উদ্ধার অভিযানের পর পর্যাপ্ত মনিটরিং না করায় খালগুলো আবারো আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে

সময় সংবাদ লাইভ রিপোর্টঃ ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে রাজধানীর খাল উদ্ধার ও পানি নিষ্কাশনের দায়িত্ব পাবার পর গত দেড় মাসে দুই সিটি করপোরেশনের (ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ) উদ্ধারকাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি ছিল আশাপ্রদ। দুই মেয়র বেশ কাজও করেছেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ইব্রাহিমপুর খাল, রামচন্দ্রপুর খাল, গোদাগাড়ী খাল, রূপনগর খাল, সাগুফতা খালসহ ১৪টি খাল থেকে গত দেড় মাসে ৯ হাজার ৩০০ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির করপোরেশন জিরানী খাল, ধোলাইপাড় খাল, মান্ডা খাল, শ্যামপুর খাল, কদমতলা খাল, কমলাপুর খালসহ দুটি বক্স কালভার্ট থেকে গত দেড় মাসে ২১ হাজার ৪৭ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে। উদ্ধার অভিযানের কারণে  এলাকাবাসীর মধ্যে খাল নিয়ে কিছুটা স্বস্তি দেখা দেয়। অনেক খাল আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে। আগামী বর্ষা মৌসুমে পানিবদ্ধতার ভোগান্তি থেকে নগরবাসী মুক্তি পাবেন বলে আশা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। কিন্তু সেই আশায় গুড়েবালি। সিটি করপোরেশনের উদ্ধার অভিযানের পর পর্যাপ্ত মনিটরিং না করায় খালগুলো আবারো আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। পরিষ্কার করা অনেক খাল এখন নানা বর্জ্যে টইটম্বুর।

গত ৩১ ডিসেম্বর দুই সিটি করপোরেশনের ওপর রাজধানীর খাল উদ্ধারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।আগে ঢাকা মহানগরীর পানিবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্ব ছিল ঢাকা ওয়াসার এবং প্রতিবছর এ খাতে তারা কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও খালগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছিল, বর্ষা মৌসুমে দেখা দিচ্ছিল ব্যাপক পানিবদ্ধতা। এ অবস্থা থেকে নগরবাসীকে পরিত্রাণ দিতে দীর্ঘদিনের দাবি ছিল খাল উদ্ধারের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনকে দেয়া হোক। দীর্ঘ আলোচনার পর দুই সিটি করপোরেশনকে খাল উদ্ধারের দায়িত্বও দেয়া হয়েছে। দায়িত্ব পেয়ে খাল ও নালার রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের কাছে ২৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে দুই প্রতিষ্ঠান। আগে খাল রক্ষণাবেক্ষণে ঢাকা ওয়াসার নিজস্ব বরাদ্দ ছিল না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে ওয়াসা এ খাতে বছরে ৪০ থেকে ৬০ কোটি টাকা পেত।
নগরবিদেরা সিটি করপোরেশন দুটির খাল উদ্ধার কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা তদারকি বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন। অন্যথায় খালগুলো ফের দখলের শিকার হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্ষার আগেই যাতে খালগুলো দখলমুক্ত করা যায়, সে ব্যাপারে দুই সিটি রপোরেশনকে তৎপর থাকতে হবে। বর্ষার সময় খাল উদ্ধারের কাজ করা যাবে না। খাল দখলের সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালীরাই যুক্ত। ওয়াসা সরকারি প্রতিষ্ঠান। সিটি করপোরেশন নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান। ফলে তাদের পক্ষে প্রভাবশালীদের উচ্ছেদ করা সহজ। আবার ভয়ও আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি তথা কাউন্সিলররা যদি এসব খাল দখল ও দূষণের কাজে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে সিটি করপোরেশনের কোনো উদ্যোগই সফল হবে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া প্রায় খালই আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। দখলকারীরা সরকারি দলের প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থাকায় তাদের বিরুদ্ধে তেমন ব্যবস্থাও নেয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের ২০২০ সালের জরিপ অনুযায়ী, ঢাকায় ৭৩টি খাল আছে। ২০১৬ সালে করা ঢাকা জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ জরিপ বলছে, খালের সংখ্যা ৫৮টি। সে সময় জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, উল্লিখিত খালের ৩৭টিতেই দখলদার রয়েছে। দখল ও দূষণের কারণে খাল স্বাভাবিক প্রবাহ হারিয়েছে। কোনো কোনোটি পুরোপুরি ভরাট হয়ে গেছে। এখন উদ্ধার কাজ শুরু হলেও সেগুলো মনিটরিং করা না গেলে বর্ষা মৌসুমে আবারো নগরবাসীকে পানিবদ্ধতার শিকার হতে হবে।
‘রাজধানীর সব খালই লাইফ সাপোর্টে’ মন্তব্য করে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: শরীফ উদ্দীন বলেন, যে কোনভাবে এগুলোর কয়েকটিকে হলেও বাঁচিয়ে রাখা প্রয়োজন। তা না হলে ঢাকা শহরে পানিবদ্ধতা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। তিনি বলেন, রাজধানীর আশপাশের নদীগুলো পরিণত হয়েছে খালে। আর খালগুলো পরিণত হয়েছে ‘ড্রেন’ এ। অনেক খালের অবস্থা এমন যে, সেখানে ড্রেনের অস্তিত্বও পাওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, রাজধানীর পানিগুলো নদীতে যাওয়ার জন্য ইন্টারনাল লাইনগুলো ঠিকই আছে। বিশেষ করে ড্রেনগুলো। সমস্যা দেখা দেয় যখন পানি ড্রেন থেকে খাল হয়ে নদীতে যায় তখনই। খালগুলো দখল হয়ে যাওয়ায় ড্রেন থেকে পানি সরতে পারেনা। ফলে পানি লোকালয়ে উঠে যায়। এতে দেখা দেয় মারাত্মক পানিবদ্ধতা। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন এখন খাল উদ্ধারে কাজ করছে। আশা করা যায়, এর সুফল পাওয়া যাবে।
সম্প্রতি খাল পরিদর্শনে গিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস রাজধানীর পানিবদ্ধতা নিরসনে বর্ষা মৌসুমের আগেই অবৈধ দখল উচ্ছেদের মাধ্যমে খালগুলো পুনরুদ্ধারের ঘোষণা দিয়েছেন। মেয়র বলেছেন, আমরা ঢাকাবাসীকে পানিবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম হাতে নিচ্ছি। মূলত প্রথম কাজটি হল, যে দখলগুলো আছে সেগুলো দখলমুক্ত করা। বর্ষা মৌসুমের আগেই দক্ষিণ সিটির খাল দখলমুক্ত করা হবে। খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় ওয়াসার জনবল সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর প্রসঙ্গে তাপস বলেন, এ বিষয়ে আমরা সভাতে আলাপ-আলোচনা করেছি। যতটুকু জনবল এবং যন্ত্রপাতি আমাদের যা প্রয়োজন হবে, সেগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করেই আমরা নিয়েছি।
রাজধানী ঢাকা থেকে একে একে উধাও হয়ে যাচ্ছে একসময়ের প্রাণবন্ত খালগুলো। ঢাকার যোগাযোগ ক্ষেত্রে যে খালগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত তার সিংহভাগ এখন দখলদারদের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারিয়েছে। বাদবাকি অংশ দখল ও দূষণে পরিণত হয়েছে নোংরা নালায়। নদী, খাল, লেকসহ প্রাকৃতিক জলাশয় সুরক্ষায় বর্তমান সরকার আমলে অঙ্গীকারবদ্ধ ভূমিকা রাখার কথা বারবার বলা হলেও তা রক্ষায় কাক্সিক্ষত সাফল্য আসেনি বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলায়। গত ৮ বছরে ঢাকার খাল নর্দমা আর ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ৩০-৩২ বছর আগেও ঢাকার প্রান্তসীমায় স্রোতবাহী যেসব খালে পণ্যবাহী বড় বড় নৌকার আনাগোনা ছিল, সে খালগুলো এখন দুই-আড়াই ফুট চওড়া নর্দমার আকার ধারণ করেছে।
ঢাকা ওয়াসার তথ্যানুযায়ী, দখলবাজদের আগ্রাসী থাবায় মাত্র ৩০ বছরেই অন্তত ৩৯টি খালের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এমনকি সরকারি ওই দপ্তরে খালগুলোর কোনো নথি নেই। প্রভাবশালী মহল বছরের পর বছর ধরে খাল দখলের মচ্ছব চালিয়ে আসছে। তারা প্রথমেই খালের নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্টে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দেয়। পরে বাঁধঘেঁষে রাতারাতি গড়ে তোলা হয় একের পর এক বস্তিঘর। সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খালের মূল নথিপত্র বের করে সে আদলেই মালিকানা-সংক্রান্ত জাল কাগজপত্র বানিয়ে নেয় তারা। এর পরই বস্তিবাসীকে খালের অন্য অংশে সরিয়ে সে জায়গা প্লট আকারে বিক্রি করে দেয় প্রভাবশালী দখলবাজরা। রাজধানীর খাল, বিল, লেক, বিলঝিল ভরাট ও অপদখলের শিকার হওয়ায় পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। যে প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো মানুষের হৃদরাজ্য ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টি করত সেগুলোর মধ্যে যেগুলো টিকে আছে তা মশা উৎপাদনের ক্ষেত্র হিসেবেই ব্যবহৃত হচ্ছে। দখল-দূষণে সেগুলোরও অস্তিত্ব এখন বিপন্নের পথে।
ঢাকার প্রাণ সঞ্চারকারী নদী বুড়িগঙ্গার সঙ্গে এক সময় সরাসরি নৌপথের সংযোগ ছিল ঢাকার বিভিন্ন খালের। পুরো ঢাকার জলযান যাতায়াত করত এসব খাল দিয়ে। কিন্তু সে দৃশ্য এখন কল্পনাতীত। খাল কোথায়? চোখেই তো পড়ছে না। কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তা নেই। যে কারণে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা হুমকির মুখে। পানি নিষ্কাশনের দুটি পথ রয়েছে। প্রথমত ভূগর্ভে পানি শোষণ করে নেয়া এবং অন্যটি খাল-বিল ও ড্রেন দিয়ে নদীতে চলে যাওয়া। রাজধানী ঢাকায় এই দুটি পথের একটিও কার্যকর নেই। যে কারণে পানিবদ্ধতা বাড়ছে। মানুষের অসচেতনতার কারণে গৃহস্থালি ও শিল্প বর্জ্য নিক্ষেপের ফলে বর্জ্যরে ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে রাজধানীর লেক ও খালগুলো।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খাল উদ্ধারে দুই সিটি সক্রিয় হলেও এসব খালের পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা নেই। পরিষ্কার করে খালগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর চেষ্টায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্জ্য-আবর্জনা। বর্ষাকালে পানি চলাচলে বাধা পেয়ে সৃষ্ট পনিবদ্ধতায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর মানুষেরা ভোগান্তি পোহালেও তাদেরই ফেলা ময়লা-আবর্জনার আঘাত থামছে না খালগুলোর বুকে। এ অবস্থায় সিটি কর্তৃপক্ষের সক্রিয়তার পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতনতা না থাকলে খাল উদ্ধার কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে বলেই নগর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। খাল উদ্ধারে দুই সিটির উদ্যোগ আলোর মুখ দেখবে না বলেও তাদের আশঙ্কা। তারা বলছেন, খালের পাড় এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের বেশিরভাগই সিটি করপোরেশনকে ময়লা দেন না। তারা দৈনন্দিন গৃহস্থালির ময়লা ফেলছেন খালে। ঘরের অব্যবহৃত আসবাবপত্রের শেষ ঠিকানাও হয়ে উঠেছে খাল।
নগর কর্তৃপক্ষ বলছে, জনগনের সচেতনতার অভাবে এমনটা ঘটে চলেছে। তবে খালকে পুনরায় ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করতে চায় না সিটি করপোরেশন। এক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের দিকে যেতে চায় উত্তর সিটি। চলতি বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে মোহাম্মদপুর এলাকার রামচন্দ্রপুর খালের কয়েকটি অংশের বর্জ্য উত্তোলন শুরু করে ডিএনসিসি। প্রথমে যন্ত্র ব্যবহার ও পরে খালে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নামিয়ে দুই স্তরে বর্জ্য উত্তোলন করা হয়। খাল থেকে উঠে আসে গৃহস্থালির বর্জ্য, ফেলে দেয়া আসভাবপত্র, বালিশ, কাঁথা, পলিথিন, কর্কসিট, ভাঙারির দোকান থেকে ফেলে দেয়া বিপুল পরিমাণ বর্জ্য। তবে পরিষ্কারের কিছুদিন পরই আবারও খালে ময়লা জমতে শুরু করেছে। খালের বিভিন্ন স্থানে এরইমধ্যে ময়লা জমে ভাগাড় হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, খালের পাড়ের বসতবাড়ি থেকে খালে ময়লা ফেলা হচ্ছে। পাশাপাশি খাল পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা দোকানগুলোর পলিথিন, বিভিন্ন দোকানের বর্জ্য আবর্জনা ফেলা হয় খালে। এসব ঘটনা প্রতিদিনের।
খালে বর্জ্য জমার কারণ জানতে চাইলে রামচন্দ্রপুর খাল সংলগ্ন মোহাম্মদীয়া হাউজিং এলাকার বাসিন্দা লিটন হোসেন বলেন, এই খালে ময়লা জমার ঘটনা নতুন নয়। খালের আশেপাশে যারা থাকে, তারাই জানালা দিয়ে, বারান্দা দিয়ে খালে ময়লা ছুঁড়ে মারে। নবোদয় হাউজিং এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দোকানদারদের মধ্যে খুব কম দোকানদারই সিটি করপোরেশনের গাড়িতে ময়লা দেয়। তারা পলিথিনে ময়লা ভরে রাখে। এক সময় গিয়ে খালে ফেলে দিয়ে আসে। এমনকি ঘরের পুরনো জামিম, তোষক এগুলো ময়লার গাড়িতে দিতে হলে বাড়তি টাকা দিতে হয়, তাই এগুলোও লোকজন খালেই ফেলে। বেড়িবাঁধ সাত মসজিদ হাউজিং এলাকা অংশের রামচন্দ্রপুর খালে ময়লা ফেলা হচ্ছে। খালের এ অংশ দেখলে মনে হবে, খাল যেন ময়লা ফেলারই জায়গা। খাল পাড়ে গড়ে ওঠা সাদিক এগ্রো নামে একটি এগ্রো প্রতিষ্ঠানের সকল গোবর যাচ্ছে খালে।
ঢাকার সকল খাল নিয়ে কাজ করেছে নদী ও খাল বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার-আরডিআরসি। সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ এজাজ গণমাধ্যমকে জানান, খাতা কলমে এসব খালের যে আকার আয়তন আছে বাস্তবে তেমনটি নেই। খাল পাড়ের বাসিন্দারা দিনের পর দিন খালে ময়লা ফেলে চলেছেন। সচেতনতার অভাবে খাল ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কার্যকরি উদ্যোগ না নিলে খালে ময়লা ফেলা বন্ধ হবে না।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা খালে ময়লা ফেলা বন্ধে কার্যকরি উদ্যোগ নেয়া হবে উল্লেখ করে বলেন, এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। জনগণ সচেতন না হলে শুধু চোর-পুলিশ করে পাহারা দিয়ে কতক্ষণ রাখা যাবে? খালের মধ্যে তারা জাজিম ফেলে দেয়, তোষক ফেলে দেয়, পুরনো খাট, ট্রাংক ফেলে দিচ্ছে। এগুলো তো দুর্ভাগ্যজনক।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

হজে গিয়ে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যু
কর ও ভ্যাটের চাপ আরও বাড়বে
ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলা হিজবুল্লাহর
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে সব দেশের প্রতি আহ্বান জাতিসংঘের
মোদি না রাহুল, কে হচ্ছেন ভারতের কান্ডারি?
ঢাকার কাছেই চলে এসেছে সবচেয়ে বিষধর রাসেলস ভাইপার

আরও খবর